Pages

Thursday, March 10, 2016

মাশরাফিই সর্বনাশটা করেছেন, বললেন ডাচ অধিনায়ক

নেদারল্যান্ডস এখনো আইসিসির সহযোগী দেশ। আর বাংলাদেশ ক্রিকেটের উদীয়মান পরাশক্তি। সদ্যই এশিয়া কাপে রানারআপ হয়ে অংশ নিয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডসের ম্যাচে বাংলাদেশই যে ফেভারিট, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু ডাচ ক্রিকেটাররাও লড়াইটা বেশ ভালোই করেছেন। একটা পর্যায়ে তো মনে হচ্ছিল যে, ১৫৩ রানের পুঁজি বাংলাদেশের জয়ের জন্য মোটেও যথেষ্ট হয়নি। কিন্তু দুটি ওভার দারুণ বোলিং করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। এই দুই ওভারই যে নেদারল্যান্ডসকে জয়বঞ্চিত করেছে, তা ম্যাচ শেষে স্বীকারও করে নিয়েছেন ডাচ অধিনায়ক পিটার বোরেন।
১৭তম ওভারে মাশরাফি যখন বল করতে আসেন, তখন নেদারল্যান্ডসের প্রয়োজন ২৪ বলে ৪২ রান। ডাচ ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ব্যাটিং করছিলেন, তাতে এই লক্ষ্য অসম্ভব মনে হচ্ছিল না মোটেই। কিন্তু অসাধারণ বোলিং করে এই ওভারে মাশরাফি দেন মাত্র তিন রান। সঙ্গে তুলে নেন ফন ডার মারউইর উইকেট। এই ওভারটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন বোরেন। 
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ডাচ অধিনায়ক বলেছেন, ‘চার ওভার বাকি থাকার সময়ও আমরা ম্যাচে খুব ভালোমতোই ছিলাম। ১৭তম ওভারে মুর্তজাই আমাদের সর্বনাশটা করেছেন। আমরা একটা উইকেটও হারিয়ে ফেলেছি। জয়ের এত কাছাকাছি এসে হেরে যাওয়াটা সত্যিই খুব হতাশাজনক। ম্যাচজয়ের কৃতিত্বটা অবশ্যই বাংলাদেশের বোলারদের দিতে হবে।’
শুধু ১৭তম ওভারেই না, পুরো ম্যাচেই মাশরাফি করেছেন দুর্দান্ত বোলিং। চার ওভার বল করে মাত্র ১৪ রানের বিনিময়ে নিয়েছেন একটি উইকেট। মাশরাফির করা ২৪টি বলের মধ্যে ১৪টিই ছিল মহামূল্যবান ডট বল। মাশরাফির বলে ডাচ ব্যাটসম্যানরা মারতে পেরেছেন মাত্র একটি চার।

Source- Link


পাক-ভারত ম্যাচ ঘিরে চড়ছে অনিশ্চয়তার পারদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য আজই ভারতে পৌঁছানোর কথা ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট দলের। বিমানে ওঠার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতও হয়ে আছেন আফ্রিদিরা। কিন্তু ক্রিকেট বোর্ড ও সরকারের কাছ থেকে সবুজ সংকেত না পাওয়া পর্যন্ত ভারতের উদ্দেশে রওনা দিতে পারছেন না পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। নিরাপত্তা বিষয়ে ভারতের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না পাওয়া পর্যন্ত আফ্রিদিদের ভারতে পাঠাবে না বলে জানিয়েছে পিসিবি।
১৯ মার্চ ধর্মশালায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকায় সেটা সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে। ভেন্যু পরিবর্তন করলেও কাটেনি অনিশ্চয়তা। বরং শেষমুহূর্তে আরো চড়ছে অনিশ্চয়তার পারদ। ধর্মশালার পর ইডেন গার্ডেনের পিচও খুঁড়ে ফেলার হুমকি দিয়েছে ভারতের অ্যান্টি টেরোরিস্ট ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া (আইটিএফআই)। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান ক্রিকেট দল ভারতের যেখানেই খেলতে নামবে সেখানেই বাধা দেবে তারা। এই হুমকির পরই কলকাতার ইডেনসহ গোটা চত্বরে নিরাপত্তা কঠোর করা হয়েছে।
আইটিএফআইয়ের দাবি, ভারতে এর আগে বিভিন্ন জঙ্গি হামলায় নাম জড়ানো মাস্টারমাইন্ডদের আগে ভারতের হাতে তুলে দিক পাকিস্তান। তারপরই বন্ধুত্বের পরিবেশে ভারতের মাটিতে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলা সম্ভব। সংগঠনটির সভাপতি বীরেশ সান্ডিল্যে মনে করেন, ভারতের মাটিতে পাকিস্তানকে খেলতে দেওয়ার অর্থ হলো, ভারতে এর আগে জঙ্গি হামলায় নিহতদের পরিবারকে অপমান করা। আর সেই অপমানকে তারা কোনোভাবেই বরদাস্ত করবে না। ফলে পাক-ভারত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ এখন অনেকটাই অনিশ্চয়তার মুখে।
অন্যদিকে, নিরাপত্তার ইস্যু তুলে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে চাইছে না পাকিস্তান। নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের কাছে লিখিত আশ্বাস চেয়েছে পিসিবি। যদি ভারত সেই লিখিত আশ্বাস পাকিস্তানকে দেয়, তাহলে তারা বিশ্বকাপ খেলবে, না হলে খেলবে না।

Source- Link

স্কটল্যান্ডের বিদায়, মূল পর্বের পথে জিম্বাবুয়ে

টানা দুটি ম্যাচ হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেল স্কটল্যান্ডের। নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৪ রানে হারের পর আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১১ রানে হেরেছে স্কটিশরা। ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুই বল বাকি থাকতেই ১৩৬ রানে গুটিয়ে গেছে স্কটল্যান্ডের ইনিংস। টানা দুটি জয় দিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্বের পথে অনেকখানি এগিয়ে গেছে জিম্বাবুয়ে।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো না হলেও শন উইলিয়ামসের ৩৬ বলে ৫৩, এল্টন চিগুম্বুরার ২০ ও রিচমন্ড মুতুম্বানির ১৯ রানের ইনিংসে ভর করে স্কোরবোর্ডে ১৪৭ রান জমা করেছিল জিম্বাবুয়ে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম চার ওভারের মধ্যে ২০ রান সংগ্রহ করতেই স্কটল্যান্ড হারিয়েছিল চারটি উইকেট। ষষ্ঠ উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে জেতানোর অনেক চেষ্টা করেছিলেন রিচি বেরিংটন ও অধিনায়ক প্রেস্টন মমসেন। কিন্তু ১৫তম ওভারে মমসেন ৩১ রান করে ফিরে যাওয়ার পর থেকেই ফিকে হতে থাকে স্কটল্যান্ডের জয়ের আশা। ১৮তম ওভারে বেরিংটনও সাজঘরের পথ ধরেন ৩৬ রানের ইনিংস খেলে। শেষমুহূর্তে ১৩ বলে ২৪ রান করে দলকে জেতানোর অনেক চেষ্টা করেছিলেন জশ ডেভি। স্কটল্যান্ডের ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান শেষপর্যন্ত উইকেটে থাকতে পারলে কী হতো বলা মুশকিল। কিন্তু ১৯তম ওভারে তাঁকে আউট করে জয় নিশ্চিত করে ফেলে জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে দারুণ বোলিং করেছেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। চার ওভার বল করে ২৮ রানের বিনিময়ে পেয়েছেন চারটি উইকেট। ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নিয়েছেন জিম্বাবুয়ের এই বাঁ-হাতি বোলার। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন টেন্ডাই চাতারা ও ডোনাল্ড তিরিপানো।

Source - Link

আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন সুরেশ রায়না!

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এ মুহূর্তে ভারতের অন্যতম ভরসা সুরেশ রায়না। যেকোনো সময় ম্যাচকে ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এ ব্যাটসম্যানের। তাঁর ব্যাটিং দেখে উল্লসিত হন ভারতের কোটি কোটি দর্শক। অথচ সেই রায়নাই কি না আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন!
একটু বেখাপ্পা মনে হলেও রায়না নিজেই জানিয়েছেন সেই কথা। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের কাছে অকপটে বলেছেন তাঁর হোস্টেলের দিনগুলোর অজানা গল্প।
রায়না জানান, ১৩ বছর বয়সে কোনো একদিন ট্রেনে চড়ছিলেন তিনি। ওই সময় ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁর ঘাড়ে আকস্মিক শক্ত কোনো বস্তুর উপস্থিতি টের পান। ঘুম ভেঙে রায়না দেখতে পান, তাঁর দুই হাত বাঁধা। তাঁর বুকে বসা বয়সে বড় এক বালক। সে তাঁর (রায়না) মুখে পেশাব করছে। এরপর রায়না কোনোমতে সে বালকটিকে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে রেহাই পান।
ভারতের লক্ষ্ণৌর স্পোর্টস হোস্টেলে আরো অনেক বাজে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল রায়নাকে। ওই সময়টাতে তিনি আত্মহত্যার কথা ভাবতেন।
রায়না বলেন, তিনি ও তাঁর এক সঙ্গীকে হকিস্টিক দিয়ে পেটানো হয়েছিল। এতে কোমায় যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তাঁর। এসব পরিস্থিতি বিবেচনায় রায়না এক বছর পরই হোস্টেল ছেড়ে ছিলেন। কিন্তু তাঁর ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় দুই মাস পরই আবার হোস্টেলে যান।

Source- Link

এবার মাশরাফির দুশ্চিন্তার নাম রাতের আবহাওয়া

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে বাংলাদেশ দলের জন্য বড় ধাক্কা পেসার তাসকিন আহমেদ ও স্পিনার আরাফাত সানির বোলিং অ্যাকশন অভিযুক্ত হওয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের পরের ম্যাচ খেলতে তাদের খুব একটা বাধা না থাকলেও বাংলাদেশ দলের জন্য নতুন করে দুশ্চিন্তার নাম ধর্মশালার হিমশীতল আবহাওয়া।
বর্তমান সময়ে ধর্মশালার তাপমাত্রা অবস্থান করে ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। এমন আবহাওয়ায় ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা নেই বাংলাদেশ দলের কোনো ক্রিকেটারেরই। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেন, ‘এমনিতেই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে খেলতে গিয়ে আমাদের খেলোয়াড়দের শ্বাস নিতে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। তা ছাড়া ধর্মশালার হিমশীতল আবহাওয়ায় খেলাটাও আমাদের জন্য কিছুটা কঠিনই বলতে হবে। বিশেষ রাতে সেখানে প্রচণ্ড ঠান্ডা। আর পরের ম্যাচটি আমাদের খেলতে হবে রাতেই।’
আবাহাওয়া নিয়ে চিন্তিত হলেও বাংলাদেশ অধিনায়ক আশাবাদী পরের ম্যাচে ভালো কিছু করতে। তিনি বলেন, ‘এই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আমাদের বেশ কিছু ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। দলটি সম্পর্কে আমাদের জানাশোনাও ভালো। তা ছাড়া প্রথম ম্যাচ জিতে খেলোয়াড়দের মনোবল বেশ ভালো জায়গায় রয়েছে। তাই আশা করছি তাদের ভালো কিছু করা সম্ভব হবে।’  
শুক্রবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ও আয়াল্যান্ড মুখোমুখি হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি। এর আগে বুধবার প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৮ রানে হারিয়েছিলেন মাশরাফিরা।   

Source- Link

চেন্নাইতে পরীক্ষা দিতে পারেন তাসকিন-সানি

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো বোলারের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে তাহলে ১৪ দিনের মধ্যে আইসিসির অনুমোদিত ল্যাবে অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হবে তাঁকে। বাংলাদেশি দুই বোলার পেসার তাসকিন আহমেদ ও স্পিনার আরাফাত সানির বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক হওয়ায় পরীক্ষা দিতেই হচ্ছে তাঁদের।
বল করার সময় এই দুই বোলারের কনুই নাকি ১৫ ডিগ্রির বেশি বেঁকে যায়। ভারতের আম্পায়ার সুন্দরম রবি ও অস্ট্রেলিয়ার রড টাকার খেলা শেষে ম্যাচ রেফারির কাছে এই অভিযোগ করেছেন। সে অভিযোগের ভিত্তিতে ম্যাচ রেফারি বিষয়টি অবহিত করেন বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টকে।
বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা যায়, খুব শিগগিরই এই দুই বোলার তাঁদের অ্যাকশনের পরীক্ষা দেবেন। বাংলাদেশ দল যেহেতু এখন ভারতে রয়েছে, তাই চেন্নাইতে আইসিসির অনুমোদিত ল্যাবে পরীক্ষা দিতে পারেন তাঁরা।
১৩ মার্চ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের ম্যাচ শেষ হবে। ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেই ম্যাচের পর ১৪ মার্চ চেন্নাইতে গিয়ে তারা পরীক্ষা দিতে পারেন বলে জানা যায়। অবশ্য বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট এখনো আনুষ্ঠানকিভাবে এ ব্যাপারে কিছুই জানায়নি।
গত বুধবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ জিতে মাশরাফিরা খুশির জোয়ারে ভাসছে, তখনই দুঃসংবাদটি পায় বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ ও  অফস্পিনার আরাফাত সানির বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক।
নিয়ম অনুযায়ী ১৪ দিনের মধ্যে আইসিসির অনুমোদিত ল্যাবে অ্যাকশনের পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও তাসকিন ও আরাফাত সানিকে সাত দিনের মধ্যেই পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। কারণ আইসিসির কোনো টুর্নামেন্ট চলাকালীন এই অভিযোগ উঠলে সাতদিনের মধ্যেই এই পরীক্ষা দিতে হয়।  

তাসকিনেরটা অবৈধ হলে বুমরারটা কেন নয়

তাসকিন আহমেদের বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত বিতর্কে ভালোই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গন। কোচ হাথুরুসিংহে রীতিমতো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন আইসিসির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে। গত এক বছর ধরে একইভাবে বোলিং করে চললেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় কেন হঠাৎ প্রশ্ন উঠছে তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে, তা নিয়ে ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।
এশিয়া কাপে দারুণ নৈপুণ্যের ধারাবাহিকতা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ধরে রেখেছিলেন তাসকিন। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে উইকেট না পেলেও কৃপণ বোলিং করে দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন এই ডানহাতি পেসার। কিন্তু হঠাৎ করেই তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় অবাক হয়েছেন অনেকেই।
বাংলাদেশের কোচ হাথুরুসিংহে তো বেশ ক্ষেপেই গেছেন আইসিসির ওপর। সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমার বোলারদের নিয়ে যদি তাদের উদ্বেগ থাকে, তাহলে তাদের (আইসিসি) কর্মকাণ্ড নিয়েও আমার উদ্বেগ আছে। কারণ আমি বোলারদের কোনো ভুল দেখছি না।’
তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ভারতের জাসপ্রিত বুমরার অ্যাকশন নিয়েও কেন কথা উঠবে না, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। দুইজনের বোলিং অ্যাকশনের ছবি পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, বল ডেলিভারি দেওয়ার সময় তাসকিনের চেয়েও অনেক বেশি বেঁকে যায় বুমরার হাত। নিয়ম অনুযায়ী ডেলিভারির সময় কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি বাঁকানো যায় না।
ফেসবুকে তাসকিন-বুমরার বোলিং অ্যাকশনের পাশাপাশি ছবি দিয়ে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভারত ছাড়া অন্য যে কোনো দেশের বোলারের অ্যাকশন নিয়েই সন্দেহ পোষন করতে পারে আইসিসি।’ একই ধরনের মন্তব্য করে পোস্ট দিয়েছেন আরো অনেকে। ‘শেম আইসিসি (#shame icc)’ নামের একটি হ্যাশট্যাগও বেশ ছড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।
banglasportsnews24.blogspot.com
তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহটা এসেছে অস্ট্রেলিয়ার আম্পায়ার রড টাকার ও ভারতের সুন্দরম রবির পক্ষ থেকে। আর ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্ট ছিলেন ম্যাচ রেফারি। গত বছরের জুনে বাংলাদেশ যখন ভারতকে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারিয়েছিল, তখনও আম্পায়ার হিসেবে দেখা গিয়েছিল টাকারকে। ম্যাচ রেফারি ছিলেন পাইক্রফ্ট। সেসময় কোনো আপত্তি জানাননি তাঁরা। তাহলে এক বছর যেতে না যেতেই তাসকিন তাঁর বোলিং অ্যাকশনে কী এমন পরিবর্তন আনলেন যে তাঁকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে যেতে হবে, তা ভেবে পাচ্ছেন না অনেকেই।
তাসকিনের পাশাপাশি সন্দেহজনক বোলিংয়ের তালিকায় নাম আছে স্পিনার আরাফাত সানিরও। আগামী সাত দিনের মধ্যেই আইসিসি অনুমোদিত কোনো ল্যাবে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হবে বাংলাদেশের এই দুই বোলারকে। বাংলাদেশ এই মুহূর্তে ভারতে থাকায় সেই পরীক্ষাটা হবে চেন্নাইয়ে।

Source- Link